তৃণমূল নেতাকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে
দি নিউজ লায়নঃ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে দলীয় নেতাকে খুনের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে। তৃণমূলের ওই নেতার পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে শাসকদলের এক মহিলাকেও। বর্তমানে তিনি মালদা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে চাঁচল ১ ব্লকের চন্দ্রপাড়া এলাকায়।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পারিবারিক বিবাদের কারণে এই ঘটনা, এর সাথে রাজনীতির কোন যোগ নেই এমনই দাবি তৃণমূলের ব্লক সভাপতির।
জনা গিয়েছে,মৃত তৃণমূল নেতার নাম সেতাবুর রহমান (৩৬)। সেতাবুর সাহেব চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের অঞ্চল সহ সভাপতি। জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে ফোনে দলীয় সহকর্মীর ডাক পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তিনি। অভিযোগ, প্রায় ঘণ্টা খানেক পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে সেতাবুর সাহেবের ওপর হামলা চালায় কয়েকজন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সেতাবুর সাহেবের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় খানপুর গ্রামের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য শেরবানু বিবির স্বামী জামালুদ্দিন ও দেওর কামালুদ্দিন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় কামালুদ্দিনের স্ত্রী নাইমা বিবিকেও। স্থানীয় বাসিন্দারা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে মালতিপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পরে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভরতি করেন। চিকিৎসকরা দুজনকেই মালদা মেডিকেলে রেফার করে দেন। সেখানেই মৃত্যু হয় সেতাবুর সাহেবের। এদিকে, ঘটনার পরেই মূল অভিযুক্ত কামালুদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
সেতাবুরের স্ত্রী আলিয়ারা খাতুন জানান, ফোন করে তাঁর স্বামীকে ডাকা হয়েছিল। ফোন পেয়েই সেতাবুর সাহেব বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান। ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই তিনি জানতে পারেন তাঁর স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। তিনি দোষীদের শাস্তি চান।

Post a Comment